নিজের জ্ঞান সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রতি মুহূর্ত আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে আপনি ও লিখুন। বিডি বন্ধন ব্লগে রেজিস্ট্রেশন সবার জন্য উন্মুক্ত।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮: ভোট দেয়ার নিয়ম কানুন

ধরুন আপনি ভোট কেন্দ্রে গেলেন ভোট দিতে, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে জানতে পারলেন কেউ আপনার ভোটটি দিয়ে দিয়েছে সে ক্ষেত্রে আপনি কি করবেন।  ভোটের দিনের এমন নানা প্রশ্নের উত্তর জানতে পড়তে থাকুন।

প্রথমেই জানিয়ে দিব কিছু সাধারণ নিয়ম কানুন।

ভোট কেন্দ্রে আপনাকে কি কি নিতে হবে এবং আপনি কি নিতে পারবেন না এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন বলছে, ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা শুধুমাত্র ভোটের স্লিপ নিতে পারবেন যেখানে ভোটারের নাম, কেন্দ্র ও একটি সিরিয়াল নম্বর দেয়া থাকে। অনেকেই ভাবেন জাতীয় পরিচয়পত্র এবং স্মার্টকার্ড ছাড়া ভোট দেয়া যায় না এ ধারনা পুরোটাই ভুল। আপনি চাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে পারনে কিন্তু সেটা বাধ্যতামূলক নয়। তবে ভোট কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, দাহ্য পদার্থ , আগ্নেয়াস্ত্র বা ধারালো কিছু সঙ্গে নেয়া সম্পূর্ন নিয়ম বহির্ভূত। তবে মোবাইল যদি নিতেই হয় তাহলে ভোট দেয়ার সময় সেটা সম্পুর্ন বন্ধ করে রাখতে হবে। কেন্দ্রের ছবি বা সেলফি তোলা অথবা চেকইন না দেয়ার বেপারেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

এবার আসি পোশাক আশাকে, ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার কোনা ড্রেস কোড নেই আপনি আপনার পছন্দ মত পোশাক পরে যেতে পারেন। তবে মহিলারা যদি বোরকা পড়া থাকেন এবং মুখ ঢাকা থাকে তাহলে পরিচয় সনাক্ত করার জন্য পোলিং এজেন্টকে আপনার একবারের জন্য মুখ দেখাতে হতে পারে। ভোট কেন্দ্রে শিশুদের না নেয়ার অনুরুধ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে অন্তঃসত্ত্বা নারী, অন্ধ, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণ ভোটার থাদের সঙ্গে একজন সহায়ক ব্যক্তিকে রাখতে পারবেন।

ভোট কেন্দ্রে গিয়ে যদি দেখেন আপনার ভোট আগেই কেউ দিয়েছে তাহলে হতাশ হওয়ার কোন কারন নেই । কেননা নির্বাচন কমিশন বলছে আপনি যদি আপনার ভোটার স্লিপ ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে অথবা আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেন তাহলে অবশ্যাই আপনার ভোট গ্রহন করা হবে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তার সই করা ব্যালটে আপনার সিল নিয়ে সেটা নিজের কাছেই রেখে দিবেন, একে বলা হয় টেন্ডার ভোট। যেটা বাক্সে পেলা না হলেও গননা করা হয় ।

এবার জানিয়ে দিব ভোট দেয়ার সাধারন কিছু নিয়ম কানুন। আপনার ভোটের স্লিপ প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে দেখান সিরিয়াল নম্বর দেখে  ওই কেন্দ্রের ভোটার তালিকা থেকে আপনাকে সনাক্ত করবেন, ওকানে প্রার্থীর এজেন্টরা বলবেন যে এই ভোটারদের ব্যাপারে তাদের কোন আপত্তি নেই তখন সহকারি প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আপনার জন্য একটা ব্যালট পেপার ইসু করবেন। পোলিং কর্মকর্তা সেই ব্যালট পেপারে সই বা আঙ্গলের ছাপ নিবেন এরপর তিনি আপনার আঙ্গলে অমুছনীয় কালি দিয়ে দাগ দেবেন এবং একটি সিল মোহর দিবেন । সেই সিল মোহর এবং ব্যালট পেপার নিয়ে গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দমত প্রতিকের উপরে সিল বসিয়ে নিবেন এবং  এমন ভাবে কাগজটাকে ভাজ করবেন যেন সিলের রং অন্য কোথাও না লাগে, কেননা ব্যালটে কালি ছড়িয়ে গেলে বা কিছু লিখলে ভোটটি বাতিল হয়ে যায় এরপর ভাজ করা বেলট পেপারটি কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের সামনে থাকা ব্যালট বাক্সে পেলতে হবে। তারপর সিল মোহরটি যমা দিয়ে আপনি পিরে যাবেন।

সুত্র: বাংলা সাইবার

Share Button
The following two tabs change content below.

bdbondhonit

মো: নুরবক্ত আলী (এডমিন) নিজের সম্পর্কে বলার তেমন কিছুই নেই, আমি খুব সাধারন একজন মানুষ। পড়াশুনা করেছি উলিপুর এমএস হাই স্কুল থেকে এসএসসি, চিলমারী ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচএসসি ও স্নাতক, কুড়িগ্রাম ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট থেকে জাতীয় দক্ষতা ২য় এবং ৩য় মান। আইটি বিষয়ে আরডিআরএস বাংলাদেশ, আনছারী আইটি উলিপুর এবং গুগল।  ছোটবেলা থেকেই টেকনোলোজির প্রতি ভীষণ আগ্রহ ছিল আমার। তাই সারাক্ষন গুগুলে পড়েছিলাম। আমি যা কিছু শিখেছি তা গুগলের জন্য। আইটি বিষয়ে কাজ করি। ভালবাসি আইটি সংক্রান্ত নতুন কিছু শিখতে। আমার শেখা তখনই স্বার্থক হবে, যখন সেটা আমি আরেকজনের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

BD BONDHON © 2015-2017 DMCA.com Protection Status Site Developed by- Nurbakta Ali. Ansari IT, Ulipur, Kurigram
error: থামুন, অনুমতি ছাড়া কপি করা যাবে না।।